সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ০৯ নং ব্রম্মরাজপুর ইউনিয়নের দহাকুলার মোড়ে চরম মারপিটের ঘটনা ঘটে উক্ত ঘটনায় মোঃ শহিদুল ইসলাম (২৬) পিতা- মোঃ গোলাম হোসেন সাং- সুলতানপুর ঝিলপাড়া থানা ও জেলা- সাতক্ষীরা। তিনি নিজে বাদী হইয়া সাতক্ষীরা সদর থানায় একখানা অভিযোগ করেন।অভিযোগে উল্লেখ করেন। বিবাদী- ১| মোঃ আলামিন @ছোট,পিতা- অজ্ঞাত, ২| মোঃ আলামিন @ বড়,পিতা- অজ্ঞাত, ৩| আরিফ @ছোট,পিতা – অজ্ঞাত, ৪| আরিফ @ বড়, পিতা- অজ্ঞাত, ৫| সোহাগ হোসেন,পিতা- কাশেম,সাং সুলতানপুর বড় বাজার ৬| মোঃ রাজন, পিতা- অজ্ঞাত, ৭| মোঃ জুবায়ের, পিতা- অজ্ঞাত, সাং কুখরালী, ৮| মোঃ বাশার পিতা- অজ্ঞাত, ৯| মোঃ কালাম, পিতা- অজ্ঞাত, উভয় সাং চালতেতলা বাগানবাড়ী, ১০| মোঃ ইমরান, পিতা- অজ্ঞাত সাং কুখরালী, ১১| মোঃ রাহাত, পিতা- অজ্ঞাত, ১২| মোঃ রনি, পিতা- অজ্ঞাত উভয় সাং কুখরালী,১৩| মোঃ শাহীন, পিতা- অজ্ঞাত, ১৪| মোঃ তুহিন, পিতা- অজ্ঞাত উভয় সাং বাতকেখালী, সর্ব থানা ও জেলা সাতক্ষীরা সহ আর ও অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন বিবাদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। বাদী বলেন গত ইং- ১৬/০৭/২০২১ তারিখ বিকাল অনুমান ০৫.০০ ঘটিকার সময় আমি সহ আমার বোন মোছাঃ আনজুমান খাতুন (১৩) একএে দহাকুলা বাজারের আগে যাওয়া মাএই ১ হইতে ৫নং বিবাদীরা আমাকে দেখে অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তা বলে এবং আমার বোনের হাত ধরে টানা টানি করে আমি কথা না বলিয়া ভ্যান চালককে চালাতে বলি। ভ্যান কেবল দহাকুলা মোড়ে পৌছানো মাএ ভ্যান আটক করে বিবাদীরা আমাকে প্রচুর মারধর ও জঘম ফোলা করে। যে যার মতো লাঠি, জিআই পাইপ,লোহার রড,ও হাতুড়ি দিয়ে। পরে ৯৯৯ নাম্বারে রিং দিলে থানা থেকে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে। সবাই মিলে আমাকে নিয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এলাকাবাসী বলে যে, বাহিনীর প্রধান হচ্ছে সোহাগ তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মেয়ে নিয়ে এলাকায় আসে, এর আগেও তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ আছে। থানায় অভিযোগটি দেওয়ায় সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন এই মামলাটি এস আই মোস্তাফিজুর রহমানকে দায়িত্ব দেন তদন্ত করার জন্য। তিনি বলেন যে ,তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে
Leave a Reply